উত্তর: যে শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা কেন্দ্রের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকে দেশের শাসনকার্য পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে।
উত্তর: সরকারের যে বিভাগ বা অঙ্গ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার কাজ পরিচালনা করে, তাকে বিচার বিভাগ বলে।
উত্তর: সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মূল লিখিত বা অলিখিত নিয়ম বা দলিলের সমষ্টি, যা অনুযায়ী একটি দেশের সরকার পরিচালিত হয়।
উত্তর: সমাজতন্ত্র হলো রাষ্ট্র পরিচালনার এমন একটি আদর্শ, যার লক্ষ্য হলো সমাজ থেকে সব ধরনের অর্থনৈতিক শোষণ ও বৈষম্য দূর করে একটি সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা।
উত্তর: স্থানীয় পর্যায়ে শাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত স্থানীয় কর্র্তৃপক্ষ বা শাসনব্যবস্থাকে স্থানীয় সরকার বলে।
উত্তর: বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
উত্তর: যে শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা বংশানুক্রমিকভাবে উত্তরাধিকার সূত্রে রাজা বা রানীর হাতে ন্যস্ত থাকে, তাকে রাজতন্ত্র বলে।
উত্তর: যে শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং জনগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়, তাকে গণতন্ত্র বলে।
উত্তর: সুশাসন হলো রাষ্ট্রের এমন একটি আদর্শ পরিচালনা ব্যবস্থা যেখানে প্রশাসনের জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, সরকারি স্বচ্ছতা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত থাকে।
উত্তর: বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম প্রধান একটি মূলনীতি হলো **'গণতন্ত্র'** (অথবা জাতীয়তাবাদ/সমাজতন্ত্র/ধর্মনিরপেক্ষতা)।
উত্তর: বাংলাদেশের গ্রামীণ স্থানীয় সরকার কাঠামো প্রধানত **তিন স্তরবিশিষ্ট** (যেমন- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ)।
উত্তর: বাংলাদেশে সরকারের প্রধানত **৩টি** বিভাগ রয়েছে (আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ)।
উত্তর: রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতার উৎসের ওপর ভিত্তি করে সরকারকে প্রধানত **দুই ভাগে** ভাগ করা যায় (নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র)।
উত্তর: বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হয়।
উত্তর: বাংলাদেশে বর্তমানে মোট উপজেলা পরিষদের সংখ্যা ৪৯৫টি।
উত্তর: বাংলাদেশের আইনসভার নাম **'জাতীয় সংসদ'**।
উত্তর: রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান হলো **৪টি** (যেমন- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব)।
উত্তর: বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে চূড়ান্তভাবে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।
উত্তর: রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হলো **'সরকার'**।
উত্তর: বাংলাদেশে বর্তমানে ৪,৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।
উত্তর: বাংলাদেশের সংবিধানে মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা হ্রাসের পরম ক্ষমতা কেবল **মাননীয় রাষ্ট্রপতির** রয়েছে।
উত্তর: যে শাসনব্যবস্থায় জনগণই রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার উৎস এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে দেশ শাসন করেন, তাকে প্রজাতন্ত্র বলে।
উত্তর: জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।
উত্তর: রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল হলো **'সংবিধান'**।
উত্তর: মোট **৩৫০ জন** সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত (যার মধ্যে ৩০০ জন সরাসরি নির্বাচিত এবং ৫০টি আসন সংরক্ষিত নারী সদস্যদের জন্য বরাদ্দ)।
উত্তর: বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১২টি মহানগর বা সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
উত্তর: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হলো **৪টি** (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
উত্তর: একই ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং ভৌগোলিক অবস্থানে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর মধ্যে যে সুদৃঢ় ঐক্য ও সংহতির অনুভূতি গড়ে ওঠে, তাকে জাতীয়তাবাদ বলে। আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি হলো বাঙালি জাতীয়তাবাদ। এই ঐক্যের অনুভূতিই ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতিকে মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
উত্তর: ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে বোঝায়—রাষ্ট্রের চোখে সকল ধর্ম সমান এবং রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে পক্ষপাতিত্ব করবে না। প্রতিটি নাগরিক নিজের ধর্ম স্বাধীনভাবে ও কোনো বাধা ছাড়া পালন করতে পারবে। এতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো বৈষম্য করা হবে না। ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মকে বর্জন করা বা ধর্মহীনতা নয়, বরং পারস্পরিক ধর্মীয় সহনশীলতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা।
উত্তর: সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ আইন ও মৌলিক রূপরেখা। একটি ভবন নির্মাণে যেমন নকশা বা ব্লুপ্রিন্ট প্রয়োজন, তেমনি রাষ্ট্র কীভাবে চলবে, সরকারের রূপ কেমন হবে, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও কর্তব্য কী হবে—তা সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। সংবিধানের আলোকেই দেশের সব আইন প্রণীত হয়। তাই একে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল বলা হয়।
উত্তর: সংবিধান ছাড়া কোনো সভ্য রাষ্ট্র ও সরকার সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হতে পারে না। সংবিধানে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ক্ষমতা ও তাদের কাজের সীমারেখা নির্দিষ্ট করা থাকে, যা স্বৈরাচারী শাসন প্রতিরোধ করে। এছাড়া নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো সংবিধানে সুরক্ষিত থাকে। রাষ্ট্রকে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পরিচালনা করতে এবং আইনের শাসন বজায় রাখতে সংবিধান থাকা অপরিহার্য।
উত্তর: গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃত অধিকারী হলো দেশের সাধারণ জনগণ। জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নিজেদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করে এবং সেই প্রতিনিধিরাই সরকার গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। জনগণের সমর্থন না থাকলে কোনো সরকারই ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। তাই শাসনতান্ত্রিকভাবে জনগণকেই রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার উৎস বলা হয়।
উত্তর: রাষ্ট্রকে যদি একটি গাড়ির সাথে তুলনা করা হয়, তবে সরকার হলো সেই গাড়ির ইঞ্জিন। ইঞ্জিন ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি সরকার ছাড়াও রাষ্ট্র তার সার্বভৌমত্ব ও কার্যাবলী সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে না। সরকারের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন, শাসন ও বিচারকাজ পরিচালিত হয়। এ কারণেই সরকারকে রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি বলা হয়।
উত্তর: স্থানীয় পর্যায়ে শাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত স্বায়ত্তশাসিত শাসনব্যবস্থাকে স্থানীয় সরকার বলে। এটি সাধারণত কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে স্ব-স্ব এলাকার রাস্তাঘাট নির্মাণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং ট্যাক্স আদায়ের মতো প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে থাকে (যেমন- ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ইত্যাদি)।
উত্তর: বাংলাদেশের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশে এককভাবে কেন্দ্রের পক্ষে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকি করা অসম্ভব। স্থানীয় সরকার স্থানীয় সমস্যাগুলো নিবিড়ভাবে চিহ্নিত করে খুব দ্রুত ও সহজ সমাধান করতে পারে। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর কাজের চাপ হ্রাস পায় এবং তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত হয়। তাই স্থানীয় সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তর: সুশাসন হলো রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থাকে কল্যাণমুখী ও কার্যকর করার মূল চাবিকাঠি। এটি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দুর্নীতি প্রতিরোধ করে। সুশাসনের ফলে দেশের প্রতিটি নাগরিক সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও আইনের আশ্রয় লাভের সুযোগ পায়, যা দেশের টেকসই উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে অপরিহার্য।
উত্তর: সরকারের যে বিভাগ দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধীদের শাস্তি প্রদানের কাজ পরিচালনা করে, তাকে বিচার বিভাগ বলে।
উত্তর: স্থানীয় সরকার হলো স্থানীয় পর্যায়ের শাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারব্যবস্থা। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর কাজের চাপ হ্রাস পায় এবং স্থানীয় পর্যায়ে রাস্তাঘাট নির্মাণ, স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ ইত্যাদির মতো নানাবিধ নাগরিক সমস্যার দ্রুত ও সহজ সমাধান করা সম্ভব হয়।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজনগরের কমিটির সাথে সরকারের **'শাসন বিভাগ' (Executive Branch)**-এর মিল রয়েছে।
সরকারের যে বিভাগ বা অঙ্গ রাষ্ট্র পরিচালনার দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করে এবং দেশের ভেতরে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখে, তাকে শাসন বিভাগ বলে। দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এর অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকের রাজনগরের কমিটিটি স্ব-স্ব এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং অন্য এলাকার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার কাজ করে থাকে। ঠিক একইভাবে জাতীয় পর্যায়ে দেশের শাসন বিভাগ দেশের অভ্যন্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুদায়িত্ব পালন করে। অতএব, শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার সাদৃশ্যের কারণে রাজনগরের কমিটির সাথে সরকারের শাসন বিভাগের গভীর মিল রয়েছে।
উত্তর: উদ্দীপকের আহসান সাহেব সরকারের একজন দায়িত্বশীল পদে কর্মরত কর্মকর্তা, যিনি দেশের উন্নয়ন তহবিল ও সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করেন। জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে তাঁর এই সততা ও দায়বদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একটি উন্নয়নশীল দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন অনেকটাই নির্ভর করে তার প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিরোধের ওপর। উদ্দীপকে আহসান সাহেব সরকারের একজন দায়িত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও অনৈতিক সুযোগ গ্রহণ না করে বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করেন এবং এলাকাকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে কাজ করেন।
প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সৎ ও দায়িত্বশীল হলে সরকারের গৃহীত প্রতিটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্প সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়। এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় রোধ হয় এবং দেশের অবকাঠামো ও সামাজিক খাতসমূহ প্রকৃত অগ্রগতির মুখ দেখে। আহসান সাহেবের মতো কর্মকর্তারা যদি নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের সাথে দায়িত্ব পালন করেন, তবে সমাজ থেকে বৈষম্য ও দুর্নীতি দূর হয় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই বলা যায়, আহসান সাহেবের এই নিষ্ঠাবান ভূমিকা জাতীয় উন্নয়নকে টেকসই ও মজবুত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
উত্তর: সরকারের যে অঙ্গ বা বিভাগ দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধীদের শাস্তি প্রদানের কাজ পরিচালনা করে, তাকে বিচার বিভাগ বলে।
উত্তর: সুশাসন বলতে সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাকে বোঝায়। এটি প্রয়োজন কারণ সুশাসন ব্যতীত রাষ্ট্র ও নাগরিকের কল্যাণ সাধিত হয় না। সুশাসন দুর্নীতি রোধ করে, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে এবং সরকারের উন্নয়নমূলক নীতিসমূহ সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সাহায্য করে।
উত্তর: উদ্দীপকে 'X' বলতে গ্রামীণ এলাকার স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থা **'ইউনিয়ন পরিষদ'**-কে বোঝানো হয়েছে।
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে যে ত্রিস্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে, তার সর্বনিম্ন ও সবচেয়ে প্রাচীন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ। সাধারণত কয়েকটি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন গঠিত হয়।
উদ্দীপকের 'X' স্থানে এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা এবং স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তি করার মতো জনহিতকর দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে। এই দায়িত্বগুলো মূলত ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত। ইউনিয়ন পরিষদ নিজ এলাকার রাস্তাঘাট মেরামত, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা এবং ছোটখাটো ঝগড়া-বিবাদ সালিসের মাধ্যমে মীমাংসা করে থাকে। সুতরাং, উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী 'X' হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
উত্তর: উদ্দীপকের 'Y' স্থানীয় সরকার বলতে শহরের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান **'পৌরসভা'** বা **'সিটি কর্পোরেশন'**-কে নির্দেশ করে (প্রধানত 'পৌরসভা')। পৌরসভার কার্যাবলী অবশ্যই নগরবাসীর মানসম্মত ও উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে পারে।
পৌরসভা শহরের বা পৌরসভার সীমানার ভেতরের জনগণের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বহুমুখী দায়িত্ব পালন করে। উদ্দীপকের ছকে 'Y'-এর কাজ হিসেবে খেলাধুলার ব্যবস্থা গ্রহণ, মানসম্মত খাদ্য বিক্রি নিশ্চিত করা এবং রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কারের কথা বলা হয়েছে।
পৌরসভা শহরের রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা, বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ এবং ময়লা-আবর্জনা অপসারণের মতো মৌলিক দায়িত্বগুলো পালন করে। এছাড়া ভেজাল ও নোংরা খাবার বিক্রি প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা এবং বিনোদনের জন্য পার্ক ও খেলার মাঠ নির্মাণ করাও পৌরসভার কাজ। এই কার্যক্রমগুলো সরাসরি জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং নগরবাসীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ জীবন উপহার দেয়। তাই বলা যায়, পৌরসভার কাজগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে তা শহরের মানুষের মানসম্মত ও স্বস্তিদায়ক জীবন নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম।
উত্তর: যে শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা কেন্দ্রের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকে দেশের শাসনকার্য পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে।
উত্তর: একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যে কাঠামো ও নীতি নির্ধারণ প্রয়োজন, তা সরকারের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। সরকার ব্যতীত রাষ্ট্র তার উদ্দেশ্য ও কার্যাবলী সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে না; যেমন ইঞ্জিন ছাড়া গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি সরকার ছাড়া রাষ্ট্র চলতে পারে না। এ কারণেই সরকারকে রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি বলা হয়।
উত্তর: উদ্দীপকের 'ক' ছকে বাংলাদেশের **সংবিধান প্রণয়নের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ধাপ** নির্দেশ করা হয়েছে।
সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল বা আইনগ্রন্থ। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য সংবিধান প্রণয়নের কাজ শুরু হয়।
'ক' ছকে তিনটি বিশেষ তারিখ ও ধাপ উল্লেখ করা হয়েছে:
১. **১০ এপ্রিল ১৯৭২:** এদিন স্বাধীন বাংলাদেশের গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে এবং ড. কামাল হোসেনকে প্রধান করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি 'সংবিধান খসড়া প্রণয়ন কমিটি' গঠিত হয়।
২. **৩০ অক্টোবর ১৯৭২:** খসড়া কমিটি দীর্ঘ সময় নিয়ে দেশের রাজনৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে সংবিধানের একটি খসড়া প্রস্তুত করে গণপরিষদে তা পেশ করে।
৩. **৪ নভেম্বর ১৯৭২:** গণপরিষদ কর্তৃক এই সংবিধানটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত ও গৃহীত হয় (যা ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়)।
সংক্ষেপে, 'ক' ছকটি আমাদের গর্বের ও আকাঙ্ক্ষার ফসল—গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান রচনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ধারাবাহিক অগ্রযাত্রাকে চিত্রিত করে।
উত্তর: হ্যাঁ, উদ্দীপকের নির্দেশিত 'খ' ছকে প্রদর্শিত 'একতা ও সংহতি', 'শোষণমুক্ত সমাজ', 'সকল কাজে নাগরিকদের অংশগ্রহণ' এবং 'ধর্মীয় স্বাধীনতা'র মতো বৈশিষ্ট্যগুলোর মাধ্যমে ১৯৭২ সালের সংবিধানের চারটি রাষ্ট্রীয় মূলনীতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি ঘোষণা করা হয়েছে। 'খ' ছকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলোর সাথে এই মূলনীতিগুলোর গভীর সংযোগ রয়েছে:
১. **জাতীয়তাবাদ (একতা ও সংহতি):** একই ভাষা ও সংস্কৃতিতে আবদ্ধ বাঙালি জাতির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনই আমাদের স্বাধীনতা এনেছে। এই একতা ও সংহতিই জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
২. **সমাজতন্ত্র (শোষণমুক্ত সমাজ):** মানুষের ওপর মানুষের সব ধরনের শোষণ দূর করে একটি সমতাভিত্তিক সমাজ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই সমাজতন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য।
৩. **গণতন্ত্র (সকল কাজে নাগরিকদের অংশগ্রহণ):** রাষ্ট্রের সকল শাসনতান্ত্রিক ও নীতিনির্ধারণী কাজে জনগণের অংশগ্রহণ এবং মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করাই হলো গণতন্ত্রের লক্ষ্য।
৪. **ধর্মনিরপেক্ষতা (ধর্মীয় স্বাধীনতা):** রাষ্ট্রের চোখে সব ধর্ম সমান এবং প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে ও কোনো বাধা ছাড়া পালন করতে পারবে।
সুতরাং, 'খ' ছকে বর্ণিত উপাদানগুলো মূলত আমাদের মহান সংবিধানের চারটি স্তম্ভ—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতিসমূহ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
উত্তর: বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
উত্তর: একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মূল আইনি দলিল। সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ক্ষমতা ও দায়িত্ব এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের সীমা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে। সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান চাইলেও সংবিধানের বাইরে গিয়ে নিজের ইচ্ছামতো দেশ শাসন করতে পারেন না; বরং সংবিধানের বিধি-নিষেধ মেনে এবং জনগণের কল্যাণে আইন ও শাসন পরিচালনা করতে বাধ্য থাকেন।
উত্তর: উদ্দীপকে জনাব 'N' হলেন সরকারের **'শাসন বিভাগ' (Executive Branch)**-এর একজন কর্মী বা সদস্য।
সরকারের যে বিভাগ রাষ্ট্রের আইনসমূহ কার্যকর করে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে শাসন পরিচালনা করে, তাকে শাসন বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগ বলে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী পরিষদ এবং সচিবালয়ের আমলারা এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকে জনাব 'N' দেশের সামগ্রিক শাসন ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন। শাসন বিভাগের মূল দায়িত্ব হলো আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইন অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। জনাব 'N' প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারণী পর্যায় পর্যন্ত সরকারি সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন করতে কাজ করেন। তাই তিনি নিঃসন্দেহে সরকারের শাসন বিভাগের একজন সক্রিয় সদস্য।
উত্তর: উদ্দীপকে জনাব 'M' হলেন আইনসভার বা **'আইন বিভাগ' (Legislative Branch)**-এর একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি (সংসদ সদস্য)। এই উক্তিটি সম্পূর্ণ সত্য যে, আইন বিভাগের মাধ্যমেই দেশের প্রকৃত জনমত ও আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইন বিভাগ বা জাতীয় সংসদ হলো জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই বিভাগের গুরুত্ব ও কাজের ক্ষেত্র নিম্নরূপ:
১. **জনগণের প্রতিনিধিত্ব:** জাতীয় সংসদের সদস্য বা জনাব 'M'-এর মতো প্রতিনিধিরা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। তারা নিজ নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ, দাবি ও মতামত সংসদে তুলে ধরেন।
২. **আইন প্রণয়ন ও সংশোধন:** দেশের মানুষের কল্যাণে এবং জনগণের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইনসভায় নতুন আইন তৈরি করা হয় এবং অচল আইন বাতিল বা সংশোধন করা হয়।
৩. **বাজেট পাস ও জবাবদিহিতা:** দেশের জাতীয় বাজেট পেশ ও তা অনুমোদনের কাজ আইনসভাতেই হয়। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এটি জনগণের ট্যাক্সের টাকার সঠিক ব্যবহার তদারকি করে।
যেহেতু আইন বিভাগের সদস্যরা সরাসরি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং তাদের কণ্ঠে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিধ্বনিত হয়, সেহেতু এই বিভাগের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি অর্থাৎ 'জনমত' আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়।
উত্তর: রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতার উৎসের ওপর ভিত্তি করে সরকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়—১. নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র এবং ২. প্রজাতন্ত্র।
উত্তর: সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ আইন ও মূল গাইডবুক। একটি ইমারত তৈরিতে যেমন নকশা বা ব্লুপ্রিন্ট প্রয়োজন, তেমনি রাষ্ট্র কীভাবে চলবে, সরকারের রূপ কেমন হবে, নাগরিকদের অধিকার ও कर्तव্য কী হবে—তা সংবিধানে সুনির্দিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে। সংবিধানের আলোকেই দেশের অন্য সকল আইন প্রণীত হয়। তাই একে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল বলা হয়।
উত্তর: প্রদত্ত ছকে '?' চিহ্নিত স্থানীয় সরকারটি হলো গ্রামীণ এলাকার প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান **'ইউনিয়ন পরিষদ'**।
বাংলাদেশ গ্রামীণ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন ও সবচেয়ে শক্তিশালী স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ। এর গঠন কাঠামো নিম্নরূপ:
* **চেয়ারম্যান:** পুরো ইউনিয়নবাসীর প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান পরিষদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
* **সাধারণ সদস্য:** প্রতিটি ইউনিয়নকে ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। প্রতি ওয়ার্ড থেকে একজন করে মোট ৯ জন সাধারণ সদস্য (মেম্বার) জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
* **সংরক্ষিত নারী সদস্য:** নারীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ৩টি সাধারণ ওয়ার্ডের বিপরীতে ১ জন করে মোট ৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।
সুতরাং, ১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য নিয়ে সর্বমোট **১৩ জন** প্রতিনিধি নিয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়।
উত্তর: উদ্দীপকের ছকে প্রদর্শিত '?' চিহ্নিত স্থানীয় সরকার অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদের কাজের সাথে 'পৌরসভা' বা নগরভিত্তিক স্থানীয় সরকারের কাজের মৌলিক বিষয়ের ক্ষেত্রে মিল রয়েছে, তবে তাদের কার্যক্ষেত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সাদৃশ্যপূর্ণ কার্যাবলী:
১. **উন্নয়নমূলক কাজ:** রাস্তাঘাট, কালভার্ট ও সাঁকো নির্মাণ এবং সংস্কার উভয় প্রতিষ্ঠানেরই প্রধান কাজ।
২. **নাগরিক সেবা:** বিশুদ্ধ পানীয় জলের সরবরাহ নিশ্চিত করা, স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রাস্তার পাশে গাছ লাগানো উভয় সংস্থাই করে থাকে।
৩. **রাজস্ব আদায়:** উভয় প্রতিষ্ঠানই তাদের নিজ নিজ সীমানার অভ্যন্তরে বাড়িঘর, ব্যবসা ও হাটের ওপর কর ও ট্যাক্স ধার্য এবং আদায় করে।
বৈসাদৃশ্য বা ভিন্নতা:
* ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করে প্রধানত গ্রামীণ ও কৃষিপ্রধান এলাকায়। অন্যদিকে পৌরসভা কাজ করে পৌর বা নগর এলাকায়।
* পৌরসভার কাজের পরিধি আরও আধুনিক ও নগরকেন্দ্রিক; যেমন- আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখা, ভেজাল খাদ্য বিক্রি রোধে নিয়মিত বাজার তদারকি করা, বিনোদনের জন্য পার্ক ও খেলার মাঠ তৈরি এবং গ্রন্থাগার পরিচালনা করা।
সংক্ষেপে বলা যায়, উভয় প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য স্ব-স্ব এলাকার জনগণের কল্যাণ ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হলেও ভৌগোলিক অবস্থান ও কাজের আধুনিকতার দিক থেকে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের কাজের পরিধিতে কিছু বাস্তবসম্মত পার্থক্য বিদ্যমান।